ষ্টোর পলিসি

ষ্টোর পলিসি

কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ 

কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষে নিম্মলিখিত ব্যবস্থা (লিখিত/ যাচাই মূলক) গ্রহন জারি রাখতে হবে।

তালাচাবি নিয়ন্ত্রনঃ

কারখানা বন্ধকালীন সময়ে কারখানার সমস্ত দরজা জানালা বন্ধ ও তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখতে হবে এবং এর চাবি প্রশাসন বা ফ্যাক্টরীর নির্ধারিত ব্যক্তির নিকট জমা দিতে হবে । ফ্যাক্টরী চলাকালীন সময়ে চাবি সবসময় বক্সে রাখতে হবে ।

১.    আগত ট্রাক /কন্টেইনারের বিবরনঃ

  • লোডিং/আনলোডিং এ জন্য যে সমস্ত ট্রাক /কন্টেইনার আগমন করবে তার বিবরন সংরক্ষন করতে হবে।
  • লোডিং/আনলোডিং এর জন্য আগত সমস্ত ট্রাক /কন্টেইনারের এলাকায় পৃথক পৃথক স্থায়ী/ অস্থায়ীভাবে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করতে হবে ও সাধারণ শ্রমিক /কর্মচারীদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রন করতে হবে।
  • লোডিং/আনলোডিং এর জন্য যে সমস্ত ট্রাক /কন্টেইনার মালামাল পরিবহন করে আনে তার সীল অবিকৃত আছে কিনা তা পরীক্ষা করে লিপিবদ্ধ করতে হবে।

৬.  খালি কন্টেইনার/ ট্রাক পরীক্ষাঃ

  • লোডিং এর জন্য যে সমস্ত কন্টেইনার/ট্রাক আসে তার নিরাপত্তার আলোকে ৭টি বিষয়ের উপর পর্যবেক্ষন করে রেকর্ড সংরক্ষন করতে হবে।
  • সিকিউরিটি কমপ্ল¬ায়েন্স খালি ট্রাক/কন্টেইনারের গাড়ী নং, আগমনের সময়, নিরাপত্তার আলোকে পর্যবেক্ষন করবেন ও খালি কন্টেইনার/ট্রাক তালাবদ্ধ করবেন। লোডিং এর সময় তালা খুলে দিয়ে সিকিউরিটি/ষ্টোর এর প্রতিনিধির উপস্থিত নিশ্চিত করতে হবে। সিকিউরিটি পাস ধারী লেবারগনই কন্টেইনারে মালামাল উঠানোর কাজে নিয়োজিত থাকবেন।

৭. আমদানীকৃত মালামালের বিবরনঃ

  • সিকিউরিটি কমপ্লায়েন্স/সিকিউরিটি ইউনিট আমদানীকৃত ট্রাক/কার্ভাড ভ্যান বা কন্টেইনারের আগমনের সময়, গাড়ী নং ও সীল যথাযথ আছে কি না তা পর্যবেক্ষন করবেন ও তালা/সীল খুলে দিয়ে নিরাপত্তা ছাড়পত্রপ্রাপ্ত
  • লেবারদের সহায়তায় আনলোডিং করবে সিকিউরিটি ও ষ্টোরের উপস্থিতির মাধ্যমে আনলোডিং এর কাজ সম্পন্ন হবে।।

৮. মালামালের সঠিক পরিমাপ নিশ্চিতকরনঃ

  • লোডিং/আনলোডিং এর সময় আমদানী/রপ্তানীকৃত মালামালের কাগজপত্রাদির সাথে মিল রেখে মালামাল লোডিং/আনলোডিং করতে হবে এবং কোন ধরনের কম/বেশি বা অন্য কোন ধরনের মালামাল চিহ্নিত করা গেলে তা কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।
  • লোডিং/আনলোডিং এর সময় রপ্তানীর জন্য প্রস্তুতকৃত কাগজপত্রাদির সাথে মিল রেখে মালামালের সঠিক পরিমান, ওজন, বিবরন ইত্যাদি সঠিক আছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে।
  • লোডিং/আনলোডিং এর সময় সিকিউরিটি কমপ্ল¬ায়েন্স,ষ্টোর প্রতিনিধি এবং সিকিউরিটি প্রতিনিধির উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে, কারন তারা মালামাল উঠানো /নামানোর সময় সঠিক পরিমান নিশ্চিত করবেন।

 

কন্টেইনার/ট্রেইলরসের সীল যাচাইঃ

কাচামাল বহনকৃত কন্টেইনার ভিতরে আসার পর ফ্যাক্টরীর সিকিউরিটি উহার সীল গালা ঠিক আছে কি না, সীল নম্বর চালানের নম্বরের সাথে মিলিয়ে দেখতে হবে । যদি সীলগালা ভাঙ্গা পাওয়া যায় ,শুধুমাত্র কাষ্টমস্ / পুলিশ অথরিটি (যাহা চালানে নথিভূক্ত থাকবে ) তাহা ছাড়া

 

বিষয়টি তৎক্ষনাত জি এম / কমার্শিয়াল ডিপার্টমেন্টকে জানাতে হবে

বহিঃগামী পন্য বোঝাইকারী কন্টেননারের সিল মারা হবে । সেই সীল নম্বর সিল অফ লোডিং এ রেকর্ড করা হবে । চালককে (এসকর্টসহ) অতিরিক্ত সীল দেওয়া হবে ।যদি বাহিরে যাওয়ার সময় অথবা রাস্তায় কাষ্টমস অথবা পুলিশ সীল খোলে বিষয়টি বিল অফ লোডিং এ রেকর্ড করা হবে । একই প্রক্রিয়া সব ধরনের মালামাল বহনকারী যানবাহনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য , যেমন : কাভার্ড ভ্যান এবং বক্স ট্রাক ।

 

** সম্পূর্ন কন্টেইনার লোডিং এর সময়ঃ

ট্রাক / কন্টেইনার ড্রাইভার / চালক লোডিং এরিয়াতে প্রবেশ করবে না । ড্রাইভার /হেলপার,ট্রাক /কন্টেইনার লক অথবা সীল করার পূর্বে পরিদর্শন করবার জন্য লোডিং এরিয়াতে প্রবেশ করবে ন ।

  • অর্ধেক /আংশিক কন্টেইনার লোডিং এর সময়ঃ

ট্রাক /কন্টেইনার লোডিং এর সময় ড্রাইভার / হেলপার লোডিং এরিয়াতে উপস্থিত থাকবে কিন্তু লোডিং কাজে সক্রিয় অংশগ্রহন করবে না ।

এল সি এল শিপমেন্টের ক্ষেত্রে  ড্রাইভার / হেলপারকে কার্টুন গননা / পরিদর্শনের জন্য অনুমতি দেওয়া যেতে পারে ।

 

@ লোডিং এরিয়াঃ

  • লোডিং এরিয়াকে সীমিত এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে । যে সব লোকজন লোডিং এরিয়াতে কাজ করবে তারা ভিন্ন রং এর পোষাক এবং কর্মকালীন সময়ে আলাদা রং এর ব্যাজ পরিধান করবে ।
  • লোডিং এরিয়া সমস্ত ট্রানজিট কর্মকান্ডের জন্য বন্ধ থাকবে ।
  • সেকশন সুপারভাইজার এই এলাকার কর্মকান্ড সবসময় মনিটর করবে ।
  • লোডিং এরিয়াতে কাজ করার জন্য যেসব ওয়ার্কার আসবে তাদের তালিকা সিকিউরিটি পোষ্টে দিতে হবে ।
  • যে সব লোকজন কে কাজ করার জন্য অনুমতি প্রদান করা হয়েছে তাহাদের তালিকা সিকিউরিটি/কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দিতে হবে ।

 

@ কন্টেইনার সীল প্রক্রিয়াঃ

  • কন্টেইনার সীল একটি গুরুত্বপূর্ন বস্তু সূতরাং এই সীল উচ্চ নিরাপত্তা কারিগরী সম্পন্ন হতে হবে । তাছাড়া এই সীল ঠিকভাবে রাখতে হবে যা বর্তমান এবং মালামাল বোঝাই এর জন্য নিয়োজিত সমন্বয়কে কন্টেইনার /আবদ্ধ ট্রাক এর সীল লাগানো পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে —-
  • সীলটি অক্ষত
  • সীলটি যথাযথভাবে কন্টেইনারে লাগানো হয়েছে ।
  • লাগানো সীল হাতের চাপে খোলা যাবেনা ।
  • মালামাল বোঝাই কাজের সমন্বয়ক এর কাছে লিখিত রেকর্ড থাকতে হবে যাতে  –
  • ক্রমিক নং ও ফরোয়ার্ডারের বুকিং নং থাকবে ।
  • লাগানো সীল অথবা এর নাম্বার ।
  • আবদ্ধ ট্রাকের ক্ষেত্রে, সঠিকভাবে পুরো বোঝাই করন প্রক্রিয়া শেষ হবার পর উচ্চ নিরাপত্তা কারিগরী সম্পন্ন সীল দিয়ে বন্ধ করবে ও রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধ করবে ।
  • সীল নম্বরটি কেবলমাত্র সংশ্লিষ্ট দলিল দস্তাবেজে ব্যবহারে উদ্দেশ্য দেওয়া হবে ।

 

সীল লাগানো, রেকর্ড যথাযথস্থানে রাখাঃ

একটি ১০০% রপ্তানিমূখী শিল্প হিসেবে গোল্ড স্টার গার্মেন্টস লি: বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রয়োজন মিটাতে কাভার্ড ভ্যান বন্ধ করার ব্যবস্থা এবং প্রক্রিয়া সম্পর্কে ভালভাবে ওয়াকিবহাল। কার্টূন জাহাজে বোঝাই করার অনুমতি পাবার পর ফিনিশিং ওয়্যারহাউস এর লোকেরা স্ব-শরীরে যে কার্টূন গুলো বোঝাই করা হবে সেগুলো গননা করবে । গননা করে ইনভয়েসের সহিত তা ঠিক আছে কি না যাচাই করে নিশ্চিত হবার পর কার্টূন কাভার্ড ভ্যানে বোঝাই করবে । প্রত্যেক শিপমেন্টের জন্য ট্রাক/কন্টেইনার অনুযায়ী  ডেলিভারী চালান ও গেইট পাশ তৈরী করতে হবে এবং কোম্পানীর নিরাপত্তা রক্ষী  ও ভ্যান চালক ( সি এন্ড এফ এজেন্ট এর পক্ষে )তাতে দস্তখত করবে । ট্রাকে শিপমেন্ট এর মালামাল ফ্যাক্টরী হতে বোঝাই করার পর ড্রাইভার ও সি এন্ড এফ এজেন্ট এর দ্বায়িত্ব হচ্ছে শিপমেন্টকৃত মালামাল ক্রেতা মনোনীত ফরোয়ার্ডারকে হস্তাত্বর করা  ।

ক্রেতার মনোনীত ফরোয়ার্ডারের  কাছে হস্তান্তরের  পূর্বে যদি সীল ভাঙ্গা পাওয়া যায় তাহলে ফরোয়ার্ডার শিপমেন্ট গ্রহন করবে না এবং এই ঘটনার ব্যাপারে কর্মাশিয়াল  ডিপার্টমেন্ট ও ফ্যক্টরী  কর্র্তৃপক্ষকে অনতিবিলম্বে জানাবে  ।

 

@ কম/বেশি মালামাল গ্রহন নিরূপন ও রিপোটিং প্রক্রিয়া   

একটি ১০০%  রপ্তানীমূখী উৎপাদনকারী  প্রতিষ্ঠান হিসেবে  আমদানী ও রফতানী মালামাল কম বেশী গ্রহন করার প্রক্রিয়া গোল্ডস্টার গার্মেন্টস লি:

 

সন্দেহ জনক মালামাল পাওয়া গেলে করনীয়ঃ

  • প্রথমে ঐ মালামাল কোম্পানীর নিজস্ব নিরাপত্তা কর্মচারী বা স্থানীয় পুলিশ না আসা পর্যন্ত বেষ্টন করে রাখতে হবে, যাতে কেহ এগুলোর কাছে না আসতেপারে ।
  • যত দ্রুত সম্ভব এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে ।
  • সকল কর্মকর্তা / কর্মচারীকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হবে ।
  • মালামালগুলো কর্তৃপক্ষের সামনে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করতে হবে ।
  • এ ব্যাপারে স্থানীয় থানায় একটি সাধারন ডায়েরী নথিভূক্ত করতে হবে ।

 

ষ্টোরের মালামাল রাখার নিয়ম :

  • ষ্টোরের সকল মালামাল প্লেট বা তাকের উপর রাখতে হবে।
  • যে বায়ারের এক্সেসরিজ সে বায়ারের মালামাল আলাদা ভাবে রাখতে হবে।
  • এক্সেসরিজ সুন্দর ভাবে গুছিয়ে রাখার পরে প্রত্যেক তাকে বিন কার্ড লাগিয়ে রাখতে হবে।বিন কার্ডে বায়ারের নাম ,অর্ডার কোয়ান্টিটি,শিপমেন্ট তারিখ,কত তারিখে কতগুলো ফ্লোরে দেওয়া হলো এবং স্থিতি কত তা লিখে রাখতে হবে।
  • এক্সেসরিজ ষ্টোরে আলোর পরিমান থাকবে কমপক্ষে ১০০০ লাক্স যাতে সহজে সবকিছু দেখা যায়।
  • ফ্যাক্টরীর সকল সেকশনের চাবি স্টোরে চাবির বক্সে সংরক্ষিত থাকবে।ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত দুইজন ব্যক্তি থাকবে যারা উক্ত চাবি রেজিষ্টারের মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবে।এছাড়া উক্ত ২জন ব্যক্তির ছবি চাবির বক্সের উপর লাগানো থাকবে।
  • বন্ডেড ওয়্যারহাউজে ফেব্রিক ৬ফুটের বেশী উচ্চতায় রাখা যাবেনা।কোনক্রমেই দেয়াল ঘেষে কোন ফেব্রিক রাখা যাবেনা।ফেব্রিক রাখার সময় চলাচলের রাস্তা রাখতে হবে।বন্ডেড ওয়্যার হাউসে ৬ফুট উচ্চতা বুঝার জন্য দেয়ালে লাল দাগ দিয়ে দিতে হবে।
  • যাতে বৈদ্যুতিক কারনে কোন দূর্ঘটনা ঘটতে না পারে এজন্য বন্ডেড ওয়্যার হাউজের ভিতরে কোন ইলেকট্রিক ওয়্যারিং বা কোন ইলেকট্রিক সংযোগের সুইচ বা প্লাগ থাকতে পারবেনা।ওয়্যার হাউজের ভিতরে কাজ করার সময় বাহির থেকে মাল্টিপ্লাগ বা অন্য কোন উপায়ে ভিতরে বাতির ব্যবস্থা করতে হবে যা কাজ শেষে সরিয়ে ফেলতে হবে।
  • ফেব্রিক সাজিয়ে রাখার পরে বড় কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে এবং বিন কার্ড ঝুলিয়ে দিয়ে সেখানে বায়ারের নাম ,কালার ইত্যাদি লিখে রাখতে হবে।
  • শুধুমাত্র কাপড় নেওয়ার সময় বন্ডেড ওয়্যারহাউজের গেট খোলা হবে ষ্টোরের অনুমোদিত ব্যক্তির উপস্থিতিতে।স্টোর গেট পাশের মাধ্যমে কাপড় দেওয়া নেওয়ার হিসাব রাখবে।
Share This Post

Related Post